🕉️ দেবী সরস্বতীর উৎপত্তি
✍️ বেদব্যাস অনুগামী
👀 8 বার পড়া হয়েছে
হিন্দু পুরাণ মতে, সৃষ্টির শুরুতে ব্রহ্মা যখন জগৎ সৃষ্টি করছিলেন, তখন চারদিকে ছিল অন্ধকার ও বিশৃঙ্খলা। শব্দ, জ্ঞান ও বুদ্ধির অভাব ছিল।
তখন ব্রহ্মার মুখ থেকে উদ্ভূত হলেন এক শুভ্র দেবী—তিনি দেবী সরস্বতী। তাঁর হাতে ছিল বীণা, বেদ ও জপমালা। তাঁর আগমনে শব্দ, ভাষা, বিদ্যা ও সুরের সৃষ্টি হয়।
ব্রহ্মা তাঁর জ্ঞান দিয়ে জগৎকে সুশৃঙ্খল করেন। তাই দেবী সরস্বতী হলেন বিদ্যা, বাক্ ও সঙ্গীতের অধিষ্ঠাত্রী দেবী।
🌼
অর্থ: যেখানে জ্ঞান আছে, সেখানে আলো আছে।
📖 বিস্তারিত পড়ুন
❤️ পছন্দ (12)
🔗 শেয়ার
🌙 রাতের পুরাণকথা
✍️ বেদব্যাস অনুগামী
👀 3 বার পড়া হয়েছে
অযোধ্যার রাজা দশরথের পুত্র ছিলেন রাম। সত্য ও ধর্মের পথে চলাই ছিল তাঁর জীবন।
পিতার কথায় রাম বনবাসে গেলেন, সঙ্গে গেলেন সীতা ও লক্ষ্মণ।
বনে রাবণ কৌশলে সীতাকে অপহরণ করে লঙ্কায় নিয়ে যায়।
রাম হনুমান ও বানরসেনার সাহায্যে সেতু বেঁধে লঙ্কা যান।
রাবণ বধের মাধ্যমে অধর্মের শেষ হয়।
সীতা উদ্ধার হয়, রাম অযোধ্যায় ফিরে রাজা হন।
রামের রাজত্বে সত্য, ন্যায় ও শান্তি প্রতিষ্ঠিত হয়—যাকে বলা হয় রামরাজ্য।
🌙
শিক্ষা: সত্য ও ধর্মের পথ কঠিন হলেও জয় অবশ্যম্ভাবী।
📖 বিস্তারিত পড়ুন
❤️ পছন্দ (1)
🔗 শেয়ার
🌙 রাতের পুরাণকথা
✍️ বেদব্যাস অনুগামী
👀 2 বার পড়া হয়েছে
রাত নেমেছে। চারদিকে নীরবতা।
এই সময়েই দেবতারা মানুষের মনের কথা সবচেয়ে ভালো শোনেন।
একদিন এক বৃদ্ধ ব্রাহ্মণ শিবের কাছে প্রার্থনা করলেন—
“হে মহাদেব, আমার আর কিছু চাই না, শুধু শান্তি দাও।”
শিব স্বয়ং এসে বললেন,
“শান্তি বাইরে নয়, ভেতরে।”
ব্রাহ্মণ অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলেন,
“ভেতরে কিভাবে পাবো?”
শিব হাসলেন।
—“যেদিন তুমি যা নেই তার জন্য কষ্ট করবে না, সেদিনই শান্তি তোমার হবে।”
এই কথা বলে শিব অন্তর্ধান করলেন।
ব্রাহ্মণ সেদিন রাতে গভীর ঘুমে ডুবে গেলেন—
কারণ প্রথমবারের মতো তার মন হালকা ছিল।
🌙
শিক্ষা: ভগবান সব সময় দুঃখ সরান না, দৃষ্টিভঙ্গি বদলে দেন।
📖 বিস্তারিত পড়ুন
❤️ পছন্দ (1)
🔗 শেয়ার
পুরাণের রাতের গল্প: নারদের শিক্ষা
✍️ বেদব্যাস অনুগামী
👀 4 বার পড়া হয়েছে
একদিন দেবর্ষি নারদ খুব গর্ব অনুভব করছিলেন। তিনি ভাবলেন—
“আমি তো সব শাস্ত্র জানি, ভগবানের সবচেয়ে বড় ভক্ত আমি-ই।”
এই অহংকার নিয়ে তিনি গেলেন শ্রীবিষ্ণুর কাছে। বিষ্ণু মৃদু হেসে বললেন,
—“নারদ, পৃথিবীতে আমার এক ভক্ত আছে, সে তোমার থেকেও বড়।”
নারদ অবাক!
—“আমি? আমি তো সারাক্ষণ আপনার নাম জপি!”
বিষ্ণু বললেন,
—“চলো, তাকে দেখে আসি।”
দুজন গিয়ে দেখলেন এক সাধারণ কৃষক। সারাদিন মাঠে কাজ করে। সকালে একবার, রাতে একবার—শুধু দু’বার বিষ্ণুর নাম নেয়।
নারদ মনে মনে হাসলেন।
তখন বিষ্ণু নারদকে বললেন,
—“এই তেলের পাত্র মাথায় নিয়ে গ্রাম ঘুরে এসো। এক ফোঁটাও যেন না পড়ে।”
নারদ খুব সাবধানে হাঁটলেন। পুরো সময় শুধু পাত্রের দিকেই নজর। ফিরে এসে বিষ্ণু জিজ্ঞেস করলেন,
—“আমার নাম কয়বার জপ করলে?”
নারদ লজ্জায় মাথা নত করলেন।
—“একবারও না…”
বিষ্ণু তখন বললেন,
—“দেখলে? কাজের মাঝেও যে আমাকে ভুলে না, সেই আমার বড় ভক্ত।”
নারদের অহংকার ভেঙে গেল। তিনি প্রণাম করলেন।
🌙
শিক্ষা: ভক্তি শব্দে নয়, মন দিয়ে হয়।
📖 বিস্তারিত পড়ুন
❤️ পছন্দ (4)
🔗 শেয়ার