ভান্ডারদহ অগ্রদূত সংঘ


অগ্রদূতসংঘ—চলার ডাক বিদ্যার আলোর মা কালচক্রের স্তুতি নীরবতার রং ফুলের দেশে রঙিন অভিযান

অগ্রদূতসংঘ—চলার ডাক

আগিয়া যাই আমরা—আলোর খোঁজে, থামি না বাধায়, ঝড়ের রোষে। হাতে ধরা স্বপ্ন, চোখে প্রতিজ্ঞা, অগ্রদূতসংঘ—পথের দিশা। যাওয়া মানে শুধু দূরে সরা নয়, ফিরে আসাও যে দায়িত্বময়। যেখানে গেছি, রেখে যাই চিহ্ন, মানুষের পাশে—মানবিক ঋণ। আগিয়া যাই আমরা—সত্যের টানে, ভয়ের কুয়াশা কাঁপে প্রাণে। শব্দে-কার্যে একতা বাঁধি, ভাঙা মনগুলো জোড়া লাগি। ফিরে এলে দেখি—পথ বদলেছে, আমরাও বদলেছি—ভালোর চাপে। যাওয়ার শিক্ষাই ফেরার মানে, অগ্রদূতসংঘ—চলার প্রাণে। আজ যাই, কাল আসি—চক্র ঘোরে, কাজই বলে কে কত দূরে। থামব না আমরা—সময় জানে, আগিয়া-যাওয়াতেই ভবিষ্যৎ গাঁথে।
📖 Read More
🔗 শেয়ার

বিদ্যার আলোর মা

শ্বেতবসনে শুভ্র তুমি, বীণার মধুর তান, অজ্ঞতার রাত ভাঙিয়ে দাও—হে বিদ্যার মহান। কমলাসনে শান্ত মূর্তি, চরণে ভক্তির ধারা, শব্দ-ব্রহ্মের জ্যোতিতে ভরে জগতের দিগন্ত সারা। বেদবাণীর ছন্দে তোমার করুণা ঝরে পড়ে, অক্ষরের বীজে প্রাণ জাগে—চিন্তার বন্ধন গড়ে। জ্ঞানস্রোতে স্নাত করে দাও অন্ধ মনের তট, তিমির ঘুচে দীপ জ্বলে ওঠে—সত্যের অটল ছট। হংসবাহনে ভাসো তুমি প্রজ্ঞার নীল গগনে, ভেদাভেদ সব মুছে দিয়ে ঐক্য লেখো চেতনে। স্মৃতির তন্ত্রী বীণায় বাঁধো, ভুলের ধুলো ঝরে, সাধক পায় পথের দিশা তোমার কৃপা ভরে। মা সরস্বতী, কলম ধরাই তোমার চরণ ধরি, অহংকারের অশুদ্ধতা জ্ঞান দিয়ে হরি। কথা-সুরে, লেখা-চিন্তায় তোমারই আশীর্বাদ, অন্তরে জাগাও চিরদিন বিদ্যার নির্মল সাধ।
📖 Read More
🔗 শেয়ার

কালচক্রের স্তুতি

যুগের প্রাচীরে লেখা আছে নাম, ধ্বনি হয়ে ওঠে ব্রহ্মের অভিমান। শঙ্খের নিনাদে কাঁপে দিগন্ত, ধূলি থেকে উঠে আদি অনন্ত। শিবের জটায় গঙ্গা নামে ধীরে, কাল চিরে যায় ত্রিনয়নের নীরে। ডমরুর তালে জন্ম-মৃত্যু নাচে, ভস্মে লেখা সত্য—সব মিথ্যা বাঁচে। বিষ্ণুর শয্যায় অনন্তশয়ন, শ্বাসে শ্বাসে সৃষ্টি-লয়-গমন। চক্র ঘোরে—থামে না ক্ষণ, ধর্মের পাল্লায় ঝোকে জীবন। দেবীর চরণে জ্বলে অগ্নিশিখা, অসুরের বুকে আঁকে শেষ লেখা। রক্তিম প্রভায় ভাঙে অন্ধকার, মাতৃরূপে জাগে করুণাকার। বেদ-বাণীর ছন্দে বাঁধা কাল, যজ্ঞের ধোঁয়ায় ভাসে বিশাল। যে জেনে নেয় এই নিত্য ধারা, সে-ই মুক্ত—ভয়হীন, নিরাকার।
📖 Read More
🔗 শেয়ার

নীরবতার রং

নীরবতার রঙে আঁকি আজ মন, শব্দেরা থামে—শোনে কেবল ক্ষণ। আকাশের বুকে ঝরে আলোছায়া, মনের নদীতে ঢেউ তোলে মায়া। ভোরের শিশিরে ভিজে যায় স্বপ্ন, পাতার ফাঁকে হাসে রোদ্দুর আপন। পাখির ডানায় লুকোনো যে গান, বুকের ভেতরে জাগায় সে প্রাণ। চলার পথে ক্লান্ত পায়ের ছাপ, সময় মুছে দেয়—রাখে শুধু তাপ। তবু বিশ্বাস জ্বলে ক্ষুদ্র দীপে, আঁধার কাঁপে আশার স্নিগ্ধ চিপে। যদি হারাই কোনো এক সন্ধ্যায়, তারার দিকে চাই—ফিরে পাই প্রভায়। নীরবতার রঙেই বুঝি আজ, শব্দ ছাড়াই লেখা যায় সব সাজ।
📖 Read More
🔗 শেয়ার

ফুলের দেশে রঙিন অভিযান

একদিন ছোট খোকা টিমু বাগানে খেলছিল। হঠাৎ সে দেখল একটি রঙিন তিতলি ঘাসের ওপর বসে আছে। “ওহ! তিতলি, তুমি কোথা থেকে এলে?” তিতলি হেসে বলল, “আমি দূরের বনে গেছি, সেখানে হাজারো ফুল আর নীল আকাশের নাচ চলছে।” টিমু বিস্মিত হয়ে জিজ্ঞেস করল, “কীভাবে এত দূরে গিয়েছিলে?” তিতলি বলল, “আমি শুধু পাখির মতো উড়েছি, আর গাছ-ফুলগুলো পর্যবেক্ষণ করেছি। এভাবে আমি জানি কোন ফুলের রঙ সবচেয়ে উজ্জ্বল, কোন ফুলে সবচেয়ে সুগন্ধ!” টিমু বুঝল—প্রকৃতির পর্যবেক্ষণই নতুন জ্ঞান শেখায়। সেই দিন থেকে সে খেলায় মজা নেওয়ার পাশাপাশি প্রতিটি ফুল, পাখি আর পাতা লক্ষ্য করতে লাগল।
📖 Read More
🔗 শেয়ার